দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজীপুর ইউনিয়নের হাড়াভাঙা হাজীপাড়া এলাকায় এক কৃষকের বাড়ির সামনে বোমাসদৃশ বস্তু, কাফনের কাপড় ও হুমকিমূলক চিরকুট রেখে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে দুর্বৃত্তরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামতগুলো উদ্ধার করে।
শনিবার (১৬ মে) দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা হাড়াভাঙা হাজীপাড়ার ইউসুফ আলীর বাড়ির প্রবেশপথের সামনে এসব রেখে যায়। রোববার (১৭ মে) সকালে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে জানান। পরে খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ বোমাসদৃশ বস্তু, কাফনের কাপড় ও চিরকুট উদ্ধার করে।
ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইউসুফ আলী উপজেলার হাড়াভাঙা গ্রামের ছইমুদ্দিনের ছেলে। একসময় তিনি প্রবাসে থাকলেও বর্তমানে কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি পলিথিনে মোড়ানো বোমাসদৃশ বস্তু, সাদা কাফনের কাপড় এবং একটি হুমকিমূলক চিরকুট পাওয়া যায়। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আসসালামু আলাইকুম ইউসুফ, তুমি সাবধান। তুই আর তোর ছোট সন্তান মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হও। পাঁচ লাখ টাকা রেডি কর।’
ইউসুফ আলী বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো সকালে পরিবারের নারীরা ঝাড়ু দিতে গিয়ে প্রবেশপথে পলিথিন ও কাফনের কাপড়ের সঙ্গে চিরকুট বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয় মেম্বারকে খবর দিলে তিনি পুলিশকে বিষয়টি জানান। এরপর পুলিশ এসে সেগুলো উদ্ধার করে।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য মহিবুল ইসলাম বলেন, ‘রাতের আঁধারে কে বা কারা ইউসুফ আলীর বাড়ির সামনে বোমাসদৃশ বস্তু, কাফনের কাপড় ও চিরকুট রেখে গেছে। চিরকুটে ইউসুফ আলী ও তার ছেলেকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।’
ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আব্দুল করিম বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে পলিথিনে মোড়ানো একটি বোমাসদৃশ বস্তু, কাফনের কাপড় ও চিরকুট উদ্ধার করে গাংনী থানা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস বলেন, ‘টেপ দিয়ে মোড়ানো একটি বোমাসদৃশ বস্তু, চিরকুট ও কাফনের কাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।’
/অ